বুধবার, ২৯ জুলাই, ২০২৬
The Daily Dhaka

Local News, Dhaka. Every Day.

Multiple Sources. Transparent Technology.

নীতি

জাতীয় নগর নীতি ২০২৫ এবং ঢাকা স্ট্রাকচার প্ল্যানের আপডেট আবাসন ও অবকাঠামো সিদ্ধান্তের দিকনির্দেশনা দিচ্ছে

নগর কর্তৃপক্ষ জাতীয় নগর নীতি ২০২৫ ও সংশ্লিষ্ট পরিকল্পনা বাস্তবায়নে এগিয়ে যাওয়ায় ঢাকার বাসিন্দারা আবাসন নির্মাণবিধি ও পয়োনিষ্কাশন উন্নয়নে পরিবর্তনের মুখে পড়তে পারেন।

দ্বারা Dhaka Policy Desk · প্রকাশিত ২৫ জুলাই, ২০২৬

আমরা এটি কীভাবে রিপোর্ট করেছি

This article was written by AI from the linked sources and was not reviewed by a journalist before publishing. The Daily Dhaka is part of The Daily Network and follows our reasonable editorial care.

বাংলাদেশ সরকার ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি জাতীয় নগর নীতি ২০২৫ অনুমোদন করেছে। এই নীতিতে ঢাকায় টেকসই পরিকল্পনা, সাশ্রয়ী আবাসন এবং জলবায়ু-সহনশীল নগর উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক) ঢাকা স্ট্রাকচার প্ল্যান ২০১৬-২০৩৫ চূড়ান্ত করছে, যেখানে জলাভূমি রক্ষায় প্লট-ভিত্তিক আবাসন বন্ধ করা এবং তিনটি রিং রোড নির্মাণের সুপারিশ করা হয়েছে।

বর্তমান পরিকল্পনা পদক্ষেপ ও স্থানীয় এলাকা

বিস্তারিত এলাকা পরিকল্পনায় (ড্যাপ) সাম্প্রতিক সংশোধনীর মাধ্যমে খিলক্ষেত ও মিরপুরে ফ্লোর এরিয়া রেশিও ২০ থেকে ৮০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। এই পরিবর্তন উচ্চতল ভবন নির্মাণকে সহায়তা করার লক্ষ্যে নেওয়া হয়েছে। ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন ২০১৬ সালের স্টর্মওয়াটার ড্রেনেজ মাস্টার প্ল্যান হালনাগাদের প্রস্তাব দিয়েছে এবং একটি সমন্বিত ও সহনশীল নগর অবকাঠামো প্রকল্পের জন্য এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের কাছে ৮১ কোটি ২৯ লাখ টাকার অর্থায়ন চেয়েছে। সরকার পার্শ্ববর্তী জেলাগুলোর জন্য ৩৯ কোটি ৪৩ লাখ টাকার একটি কৌশলগত পরিকল্পনাও প্রণয়ন করছে।

এই পদক্ষেপগুলো নির্দিষ্ট এলাকায় জমির ব্যবহার ও ভবন অনুমোদন প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করবে। সংশোধিত ফ্লোর এরিয়া রেশিও বিধিমালার আওতায় খিলক্ষেত ও মিরপুরের বাসিন্দারা তাদের এলাকায় আরও উঁচু স্থাপনা নির্মাণের অনুমতি পেতে পারেন। ঢাকা স্ট্রাকচার প্ল্যানের সুপারিশে জলাভূমি সংরক্ষণের বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে, যা শহরের প্রান্তবর্তী এলাকায় কিছু আবাসন প্রকল্পকে সীমিত করতে পারে।

বাস্তবায়নের পরবর্তী পদক্ষেপ

পার্শ্ববর্তী জেলাগুলোর জন্য কৌশলগত পরিকল্পনাটি ২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৮ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত বাস্তবায়নের সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে। এটি এমআরটি, বিআরটি ও সাবওয়ে নেটওয়ার্কের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে নগর বিস্তার পরিচালনার উদ্দেশ্যে তৈরি করা হচ্ছে। ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন অর্থায়নের আবেদনের পাশাপাশি ড্রেনেজ মাস্টার প্ল্যান হালনাগাদের কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। রাজউক ঢাকা স্ট্রাকচার প্ল্যান ২০১৬-২০৩৫ চূড়ান্ত পর্যালোচনার জন্য সম্পন্ন করছে।

এই পদক্ষেপগুলো জাতীয় নীতি ও স্থানীয় অবকাঠামো প্রকল্পের মধ্যে সমন্বয়ের দিকে মনোযোগ দিচ্ছে। ২০২৬ সালে পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়নের দিকে এগিয়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বাসিন্দারা নির্মাণ অনুমোদন ও প্রকল্পের সময়সূচিতে পরিবর্তন লক্ষ্য করতে পারেন।

References Sourced but Not Limited to:

বেটা · এআই-সহায়ক · মানুষের তত্ত্বাবধান

আপনার নিউজরুম। আপনি দ্বারা গঠিত।

The Daily Dhaka বেটায় রয়েছে। এআই গবেষণা, সংক্ষিপ্তকরণ এবং খসড়া তৈরিতে সহায়তা করতে পারে। স্বয়ংক্রিয় পরীক্ষা প্রকাশনার আগে সোর্সিং, নির্ভুলতা এবং সম্পাদকীয় ঝুঁকি মূল্যায়ন করে, এবং সংবেদনশীল সামগ্রী মানুষের পর্যালোচনার জন্য অনুষ্ঠিত হয়। কিছু বন্ধ লক্ষ্য করেছেন, বা কোনো বিষয় কভার করতে চান? আমাদের বলুন। আপনার প্রতিক্রিয়া সম্পূর্ণভাবে ঐচ্ছিক এবং আমরা পরবর্তীতে কী প্রকাশ করি তা গঠনে সহায়তা করে।