বুধবার, ২৯ জুলাই, ২০২৬
The Daily Dhaka

Local News, Dhaka. Every Day.

Multiple Sources. Transparent Technology.

property

ঢাকার ভাড়া বাজার: ক্রমবর্ধমান খরচ ও চাহিদার মধ্যে ভারসাম্যের সন্ধান

রাজধানীতে আবাসন বাজারের পরিবর্তনশীল প্রবণতা কীভাবে ভাড়াটে ও বাড়িওয়ালাদের অভিজ্ঞতাকে প্রভাবিত করছে, তার একটি বিশ্লেষণ।

দ্বারা Dhaka Property Desk · প্রকাশিত ২৫ জুলাই, ২০২৬

আমরা এটি কীভাবে রিপোর্ট করেছি

This article was written by AI from the linked sources and was not reviewed by a journalist before publishing. The Daily Dhaka is part of The Daily Network and follows our reasonable editorial care.

Daily Network finance briefing tile, illustration, not a photograph
Daily Network finance briefing tile, illustration, not a photograph

ঢাকার আবাসন বাজার এখন তীব্র চাপের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে। সরবরাহ সংকট ও নির্মাণ ব্যয়ের ঊর্ধ্বগতি একসঙ্গে মিলে বাড়ির মালিক ও ভাড়াটে উভয়ের জন্যই পরিস্থিতি জটিল করে তুলছে। স্টারপাথ হোল্ডিংসের তথ্য অনুযায়ী, প্রতি বছর ঢাকায় আবাসনের চাহিদা প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার ইউনিট, যার মধ্যে ৪০ শতাংশই পূরণ হচ্ছে না। ফলে বাজারে দীর্ঘস্থায়ী সংকট বিরাজ করছে।

নির্মাণ ব্যয় ও বাজারের প্রবৃদ্ধির প্রভাব

বাড়ির মালিকদের জন্য এই পরিস্থিতি মূলধনী মূল্যবৃদ্ধির একটি অনুকূল ধারা তৈরি করেছে। বাজার বিশ্লেষণ বলছে, ২০২৬ সালে ঢাকার আবাসন বাজার প্রায় ৬ শতাংশ প্রবৃদ্ধি পাবে এবং দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাস অনুযায়ী ২০৩০ সালের মধ্যে বার্ষিক প্রবৃদ্ধি ৭ থেকে ৮ শতাংশে পৌঁছাতে পারে। এই চিত্রের পেছনে রয়েছে নির্মাণ ব্যয়ের লাগামছাড়া বৃদ্ধি। গত পাঁচ বছরে নির্মাণ খরচ ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ বেড়েছে বলে জানা গেছে। উন্নয়ন ব্যয়ের এই বৃদ্ধি নতুন সম্পত্তির দাম ঊর্ধ্বমুখী করছে এবং ২০২৬ সালের বাকি সময়েও দাম আরও বাড়বে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

এলাকাভেদে ভাড়াটেদের বাস্তবতা

রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় বাজারের গতিপ্রকৃতি একেক রকম, যা ভাড়াটে ও বিনিয়োগকারীদের জন্য আলাদা আলাদা বাস্তবতা তৈরি করছে। গুলশান, বনানী ও বারিধারার মতো অভিজাত আবাসিক এলাকায় সম্পত্তির দাম কিছুটা স্থিতিশীল হয়েছে এবং বর্তমানে প্রতি বর্গফুটের দাম ১৮,০০০ থেকে ২৮,০০০ টাকার মধ্যে রয়েছে। এই প্রতিষ্ঠিত এলাকাগুলোর চাহিদা এখনও বেশি, তবে শহরের অন্যান্য অংশের তুলনায় এখানে মূল্যবৃদ্ধির ধরন ভিন্ন।

অন্যদিকে, ধানমন্ডি, উত্তরা ও বসুন্ধরার মতো উচ্চ-মধ্যম মানের এলাকাগুলোতে ২০২৬ সালে সবচেয়ে বেশি তৎপরতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। এসব এলাকায় বার্ষিক মূল্যবৃদ্ধির হার ১০ থেকে ১৪ শতাংশ পর্যন্ত উঠেছে। এদিকে, শহরের প্রান্তিক এলাকায় উচ্চ চাহিদাসম্পন্ন পেরি-আরবান করিডোরগুলোতে ১২ থেকে ১৮ শতাংশ পর্যন্ত প্রবৃদ্ধি দেখা যাচ্ছে, যা সারা দেশে জমির গড় মূল্যবৃদ্ধির হার ৭ থেকে ১০ শতাংশকে ছাড়িয়ে গেছে।

ভবিষ্যতের আবাসন পরিস্থিতি মোকাবেলা

ভাড়াটেদের জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো আবাসনের সংকট, যা সামর্থ্যের সীমাবদ্ধতা থাকা সত্ত্বেও দীর্ঘমেয়াদে দাম বাড়িয়ে চলেছে। বাজার এগিয়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবাই লক্ষ্য রাখছেন যে সরবরাহ ও চাহিদার এই ব্যবধান ভাড়া আলোচনায় কতটা প্রভাব ফেলছে। জমির দামের জাতীয় গড় প্রবৃদ্ধি এক অঙ্কে থাকলেও নির্দিষ্ট শহুরে ও পেরি-আরবান এলাকায় দ্রুত মূল্যবৃদ্ধির ধারা ইঙ্গিত দিচ্ছে যে অদূর ভবিষ্যতে আবাসন খরচে ঊর্ধ্বমুখী চাপ অব্যাহত থাকতে পারে।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সহায়তায় তৈরি এবং আমাদের সম্পাদকীয় মানদণ্ড অনুযায়ী যাচাই করা হয়েছে। যেখানে পাওয়া গেছে সেখানে সূত্র যুক্ত করা হয়েছে। কোনো ভুল চোখে পড়লে বা সংশোধন দরকার হলে যোগাযোগ করুন: [email protected]

References Sourced but Not Limited to:

বেটা · এআই-সহায়ক · মানুষের তত্ত্বাবধান

আপনার নিউজরুম। আপনি দ্বারা গঠিত।

The Daily Dhaka বেটায় রয়েছে। এআই গবেষণা, সংক্ষিপ্তকরণ এবং খসড়া তৈরিতে সহায়তা করতে পারে। স্বয়ংক্রিয় পরীক্ষা প্রকাশনার আগে সোর্সিং, নির্ভুলতা এবং সম্পাদকীয় ঝুঁকি মূল্যায়ন করে, এবং সংবেদনশীল সামগ্রী মানুষের পর্যালোচনার জন্য অনুষ্ঠিত হয়। কিছু বন্ধ লক্ষ্য করেছেন, বা কোনো বিষয় কভার করতে চান? আমাদের বলুন। আপনার প্রতিক্রিয়া সম্পূর্ণভাবে ঐচ্ছিক এবং আমরা পরবর্তীতে কী প্রকাশ করি তা গঠনে সহায়তা করে।