property
নতুন উন্নয়ন প্রকল্প বদলে দিচ্ছে ঢাকার আবাসিক চিত্র
রাজউকের আওতাধীন এলাকায় বৃহৎ পরিসরের আবাসিক হাব ও অবকাঠামো উন্নয়ন নগর সংযোগ ব্যবস্থা ও আবাসন সক্ষমতায় আনছে বড় পরিবর্তন।
আমরা এটি কীভাবে রিপোর্ট করেছি

রাজউক গুরুত্বপূর্ণ পরিকল্পনা পরিবর্তন ও প্রকল্প সম্প্রসারণ বাস্তবায়ন করায় ঢাকার আবাসিক চিত্রে এক সুশৃঙ্খল রূপান্তর ঘটছে। বৃহৎ পরিসরের টাউনশিপ থেকে শুরু করে নির্দিষ্ট জনগোষ্ঠীর জন্য আবাসন প্রকল্প পর্যন্ত এই উন্নয়ন কার্যক্রম আগামী বছরগুলোতে শহরের আবাসিক ঘনত্ব ও সংযোগ ব্যবস্থায় বদল আনতে সক্ষম হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
বৃহৎ পরিসরের আবাসিক টাউনশিপ
পূর্বাচল নিউ টাউন উন্নয়নের কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে এখনও সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে। শীতলক্ষ্যা ও বালু নদীর মাঝে ৬,২২৭ একর জায়গাজুড়ে বিস্তৃত এই প্রকল্পটি ঢাকার সবচেয়ে বড় পরিকল্পিত আবাসিক এলাকা হিসেবে স্বীকৃত। সরকারি প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রকল্পের প্রথম পর্যায়ে বর্তমানে সক্রিয়ভাবে উন্নয়নকাজ চলছে, বিশেষত পানি সরবরাহ ও শিক্ষা অবকাঠামো নির্মাণে [1]।
একই সঙ্গে কেরানীগঞ্জে ঝিলমিল আবাসিক পার্কের উন্নয়নকাজও দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলছে। ১৬০ একরের এই টাউনশিপে ১৪,০০০টি আধুনিক ফ্ল্যাট নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে, যা বর্তমান নগর সম্প্রসারণ কৌশলের আওতায় একটি বড় আবাসিক উদ্যোগ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে [2]।
নীতিগত পরিবর্তন ও নগর পরিকল্পনা
ডেভেলপার ও বাসিন্দাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ একটি পরিবর্তন হলো সরকার কর্তৃক বিস্তারিত এলাকা পরিকল্পনা (ডিএপি) চূড়ান্তকরণ। এই নীতিতে প্রচলিত প্লট-ভিত্তিক আবাসন ব্যবস্থার পরিবর্তে ব্লক-ভিত্তিক উন্নয়ন পদ্ধতি চালু করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে উঁচু ভবন নির্মাণের সুযোগ তৈরির পাশাপাশি রাজউকের আওতাভুক্ত এলাকায় জমি অধিগ্রহণের ব্যয় কমানো সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে [3]। এই নিয়ন্ত্রণমূলক সংশোধনীগুলো মহানগর এলাকায় আবাসিক ব্লক সংগঠন ও অনুমোদনের ক্ষেত্রে একটি নতুন কাঠামো প্রদান করছে।
জনমুখী অবকাঠামো
নতুন আবাসন প্রকল্পগুলো নির্দিষ্ট জনগোষ্ঠীর চাহিদাও পূরণ করছে। মিরপুরে ২০২৪ সালের জুলাই অভ্যুত্থানে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর জন্য দুটি বড় আবাসন কমপ্লেক্স অনুমোদন পেয়েছে। এই প্রকল্পে '৩৬ জুলাই' কমপ্লেক্স অন্তর্ভুক্ত রয়েছে, যেখানে ৮০২টি ফ্ল্যাট থাকবে এবং পাশাপাশি আরও একটি বড় কমপ্লেক্সে ১,৫৬০টি ফ্ল্যাট নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। এই উদ্যোগগুলোর নির্মাণকাজ ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে শুরু হয়ে ২০২৯ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত চলার কথা রয়েছে [4]।
সংযোগ ব্যবস্থা ও ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা
আবাসিক প্রকল্পগুলোর সঙ্গে তাল মিলিয়ে উন্নত গণপরিবহন নিশ্চিত করতে অবকাঠামো উন্নয়নও এগিয়ে চলছে। ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের সম্প্রসারিত অংশ ২০২৬ সালে চালু হওয়ার কথা রয়েছে। এটি চালু হলে বিদ্যমান ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের সঙ্গে মিলে উত্তর ঢাকার সঙ্গে শহরের মধ্য ও দক্ষিণাঞ্চলের যোগাযোগ আরও সহজ হবে [5]। এই উন্নয়নশীল এলাকাগুলোতে আগ্রহী বাসিন্দা ও সম্ভাব্য ক্রেতারা আশা করতে পারেন যে আবাসন প্রকল্পগুলো সম্পন্ন হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে এই পরিবহন সংযোগ সামগ্রিক যোগাযোগ সুবিধায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সহায়তায় তৈরি এবং আমাদের সম্পাদকীয় মানদণ্ড অনুযায়ী যাচাইকৃত। সূত্রগুলো যেখানে পাওয়া গেছে সেখানে লিংক করা হয়েছে। কোনো ভুল চোখে পড়লে বা সংশোধনের প্রয়োজন হলে যোগাযোগ করুন: [email protected]।