বুধবার, ২৯ জুলাই, ২০২৬
The Daily Dhaka

Local News, Dhaka. Every Day.

Multiple Sources. Transparent Technology.

Technology

ঢাকায় ডিজিটাল সাক্ষরতার পথচলা: সুযোগ ও ঝুঁকির মাঝে

ঢাকা যখন তার ডিজিটাল অবকাঠামো সম্প্রসারিত করছে, তখন একটি সংযুক্ত সমাজের দিকে এই যাত্রা বিনামূল্যে প্রবেশাধিকারের প্রতিশ্রুতির পাশাপাশি নতুন চ্যালেঞ্জও নিয়ে আসছে।

দ্বারা Dhaka Tech Desk · প্রকাশিত ১৮ জুলাই, ২০২৬

আমরা এটি কীভাবে রিপোর্ট করেছি

This article was written by AI from the linked sources and was not reviewed by a journalist before publishing. The Daily Dhaka is part of The Daily Network and follows our reasonable editorial care.

ঢাকায় ডিজিটাল সাক্ষরতার পথচলা: সুযোগ ও ঝুঁকির মাঝে
Photo: U.S. Embassy Dhaka / openverse (PDM)

ঢাকায় ডিজিটাল সমাজের দিকে রূপান্তরের এই যাত্রাকে সহায়তা করছে বিস্তৃত একটি কেন্দ্র-নেটওয়ার্ক এবং বিভিন্ন শিক্ষামূলক কর্মসূচি। এসব উদ্যোগের লক্ষ্য সংযোগবৈষম্য দূর করা হলেও, দৈনন্দিন জীবনে প্রযুক্তির এই একীভবন নিরাপত্তা, তথ্য-সাক্ষরতা এবং শিক্ষা প্রযুক্তির নৈতিক ব্যবহার নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নও তুলে ধরছে। যত বেশি নাগরিক কম্পিউটার ও ইন্টারনেটের সুযোগ পাচ্ছেন, ততই কেবল অবকাঠামোগত প্রাপ্যতা নিশ্চিত করার বাইরে গিয়ে ব্যবহারকারীরা যেন ডিজিটাল জগতের জটিলতাগুলো সামলাতে সক্ষম হন, সেদিকেই মনোযোগ সরে আসছে।

সরকারি অবকাঠামোর মাধ্যমে প্রবেশাধিকার বিস্তার

কারিগরি দক্ষতা বিকাশে সরকার ও বিভিন্ন সংগঠন ঢাকায় উল্লেখযোগ্য উপস্থিতি গড়ে তুলেছে। আইসিটি বিভাগের অধীনে পরিচালিত ডিজিটাল লিটারেসি সেন্টার সহায়তাপ্রার্থীদের জন্য একটি কেন্দ্রীয় হাব হিসেবে কাজ করছে, যার কার্যালয় রয়েছে আগারগাঁওয়ের আইসিটি টাওয়ারে, ঢাকা-১২০৭। এছাড়া শাহবাগের ঢাকা কেন্দ্রীয় পাবলিক লাইব্রেরি এবং দেশের ৬৪টি জেলা সরকারি পাবলিক লাইব্রেরি সাধারণ মানুষের জন্য প্রবেশাধিকার আরও সহজ করেছে। এসব স্থানে বিনামূল্যে কম্পিউটার ব্যবহারের সুবিধা রয়েছে এবং শিক্ষার্থীদের জন্য প্রাথমিক কোডিং কর্মশালাও আয়োজন করা হয়। এর পাশাপাশি সারা দেশে চার হাজারেরও বেশি স্থানে ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টার (ইউডিসি) পরিচালিত হচ্ছে, রাজধানীতেও যার অনেক শাখা রয়েছে। এগুলো প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত সেবা দিয়ে থাকে।

সাক্ষরতার ব্যবধান ঘোচানো

এই ডিজিটাল রূপান্তরে শিক্ষামূলক কার্যক্রম একটি অপরিহার্য ভূমিকা পালন করছে। টিচ ফর বাংলাদেশ ব্রিজ (BRIDGE) প্রকল্প বাস্তবায়ন করেছে, যা শিশু ও অভিভাবক উভয়কেই লক্ষ্য করে তৈরি। এতে মিশ্র শিক্ষা পদ্ধতি এবং অনলাইন নিরাপত্তা দক্ষতার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে, যাতে ইন্টারনেট ব্যবহারের ঝুঁকি কমানো যায়। একইভাবে ডিনেটের কম্পিউটার লিটারেসি প্রোগ্রাম (সিএলপি) ৫৫টি জেলায় ২৮৭টি কম্পিউটার লিটারেসি সেন্টার স্থাপন করেছে। এসব কেন্দ্র থেকে এ পর্যন্ত প্রায় ১ লাখ ৩০ হাজার শিক্ষার্থীকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে, যার মধ্যে অর্ধেকই নারী। এটি কম্পিউটার ও যোগাযোগ দক্ষতা প্রশিক্ষণকে আরও ব্যাপক করার প্রতিশ্রুতিই তুলে ধরছে।

নৈতিক প্রশ্ন ও বাস্তব ব্যবহার

ডিজিটাল সরঞ্জামের দ্রুত একীভবন কারিগরি প্রশিক্ষণের গণ্ডি ছাড়িয়ে নানা চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে। তথ্য গোপনীয়তা এবং অল্পবয়সী ব্যবহারকারীদের নিরাপত্তা সংক্রান্ত নৈতিক বিষয়গুলো ব্রিজ প্রকল্পের মতো কর্মসূচির কেন্দ্রে রয়েছে। লাইব্রেরি বা ইউডিসিতে গিয়ে যাঁরা ইন্টারনেট ব্যবহার করছেন, তাঁদের জন্য অনলাইন জগতে নিরাপদে চলাফেরা করা এখন একটি প্রধান উদ্বেগের বিষয়। ডিজিটাল লিটারেসি সেন্টারের ই-লার্নিং কোর্স ও অ্যাপ তথ্যকে একটি কাঠামোবদ্ধ রূপ দেওয়ার চেষ্টা করছে, যেখানে নিরাপত্তা ও সুরক্ষার বিষয়গুলো বিশেষভাবে গুরুত্ব পাচ্ছে। যাঁরা এসব সুবিধা নিতে চান, তাঁদের জন্য জেলা লাইব্রেরি বা স্থানীয় ইউডিসিতে যাওয়াই হার্ডওয়্যার ব্যবহার ও আনুষ্ঠানিক প্রশিক্ষণের সবচেয়ে সহজ পথ। এতে নিশ্চিত হয় যে ডিজিটাল রূপান্তর কেবল প্রযুক্তির মাধ্যমে নয়, শিক্ষা ও সামাজিক সহায়তার মাধ্যমেও এগিয়ে চলছে।

References Sourced but Not Limited to:

বেটা · এআই-সহায়ক · মানুষের তত্ত্বাবধান

আপনার নিউজরুম। আপনি দ্বারা গঠিত।

The Daily Dhaka বেটায় রয়েছে। এআই গবেষণা, সংক্ষিপ্তকরণ এবং খসড়া তৈরিতে সহায়তা করতে পারে। স্বয়ংক্রিয় পরীক্ষা প্রকাশনার আগে সোর্সিং, নির্ভুলতা এবং সম্পাদকীয় ঝুঁকি মূল্যায়ন করে, এবং সংবেদনশীল সামগ্রী মানুষের পর্যালোচনার জন্য অনুষ্ঠিত হয়। কিছু বন্ধ লক্ষ্য করেছেন, বা কোনো বিষয় কভার করতে চান? আমাদের বলুন। আপনার প্রতিক্রিয়া সম্পূর্ণভাবে ঐচ্ছিক এবং আমরা পরবর্তীতে কী প্রকাশ করি তা গঠনে সহায়তা করে।