wellness
ঢাকাবাসীর নিয়মিত স্বাস্থ্যসেবায় স্থানীয় কেন্দ্রগুলোর ব্যবহার অব্যাহত
সরকারি ও বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র এবং পরামর্শ হেল্পলাইনের মাধ্যমে নগরবাসীর স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করছে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান।
আমরা এটি কীভাবে রিপোর্ট করেছি
ঢাকার বাসিন্দারা তাদের দৈনন্দিন স্বাস্থ্য চাহিদা মেটাতে সরকারি হাসপাতাল, কমিউনিটি ক্লিনিক এবং সরকারি তালিকাভুক্ত বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রগুলো নিয়মিত ব্যবহার করছেন।
নগরবাসীর জন্য সরকারি হাসপাতাল
সেক্রেটারিয়েট রোডের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং নিউ এয়ারপোর্ট রোডের কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতাল স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অধীনে পরিচালিত হচ্ছে। শহরের বাইরে না গিয়েও স্থানীয় চিকিৎসাসেবা নিতে এই দুটি হাসপাতাল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। কেন্দ্রীয় ও উত্তরাঞ্চলের বাসিন্দারা নিয়মিত স্বাস্থ্যসেবার জন্য এই কেন্দ্রগুলোর ওপর নির্ভর করেন।
কমিউনিটি স্বাস্থ্যকেন্দ্র ও ক্লিনিকের সময়সূচি
হাজারীবাগে পরিচালিত আরবান প্রাইমারি হেলথ কেয়ার সার্ভিসেস ডেলিভারি প্রজেক্ট-২-এর আওতায় একটি সার্বক্ষণিক (২৪ ঘণ্টা) ব্যাপক প্রজনন স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র চালু আছে। এর পাশাপাশি ছয়টি প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত এবং বারোটি স্যাটেলাইট ক্লিনিক সকাল ১০টা থেকে দুপুর আড়াইটা পর্যন্ত সেবা প্রদান করছে। এগুলো ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন এলাকার বাসিন্দাদের জন্য নির্ধারিত সময়ে চিকিৎসাসেবা নেওয়ার সুযোগ দিচ্ছে। এ ছাড়া ঢাকা কমিউনিটি হাসপাতাল ট্রাস্টে ২৪ ঘণ্টা জরুরি সেবা, ফার্মেসি ও ভর্তির সুবিধা এবং সকাল ৮টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত বহির্বিভাগ সেবা পাওয়া যাচ্ছে।
বিশেষজ্ঞ সেবাসম্পন্ন বেসরকারি হাসপাতাল
বেসরকারি বিকল্প হিসেবে বসুন্ধরার এভারকেয়ার হাসপাতাল, ধানমন্ডির ল্যাবএইড, পান্থপথের স্কয়ার হাসপাতাল এবং গুলশান ২-এর ইউনাইটেড হাসপাতাল উল্লেখযোগ্য। এই হাসপাতালগুলোয় সব ধরনের বিশেষজ্ঞ সেবা পাওয়া যায় এবং এভারকেয়ারের জন্য ১০৬৭৮ ও ল্যাবএইডের জন্য ১০৬০৬ হটলাইন নম্বর চালু আছে। পূর্ব, দক্ষিণ ও কেন্দ্রীয় এলাকার বাসিন্দারা সরকারি সেবার পাশাপাশি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসার প্রয়োজনে এই হাসপাতালগুলো ব্যবহার করেন।
বিনামূল্যে মোবাইল স্বাস্থ্য পরামর্শ
সরকারি স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলো ২৪ ঘণ্টা বিনামূল্যে ফোনে স্বাস্থ্য পরামর্শ দিচ্ছে। জেলা ও উপজেলা হাসপাতালের নম্বর www.dghs.gov.bd ওয়েবসাইটে প্রকাশিত হয়েছে। প্রাথমিক স্বাস্থ্য প্রশ্নের জন্য সরাসরি কেন্দ্রে না গিয়েও ফোনে পরামর্শ নেওয়া সম্ভব, যা দূরবর্তী যোগাযোগে স্বাচ্ছন্দ্যবোধকারীদের জন্য বিশেষভাবে সহায়ক।
নির্ধারিত সময়সূচি ও যোগাযোগের মাধ্যমে এই স্বাস্থ্যসেবাগুলোর ব্যবহার অব্যাহত রয়েছে। ব্যক্তিগত স্বাস্থ্যসেবা প্রয়োজন হলে তালিকাভুক্ত কেন্দ্রে গিয়ে বা প্রকাশিত পরামর্শ হেল্পলাইনে যোগাযোগ করে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়ার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।